ছাত্র অধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিলে ছাত্রনেতাদের মিলনমেলা


admin@123 প্রকাশের সময় : এপ্রিল ৪, ২০২৪, ৮:৪৯ অপরাহ্ন /
ছাত্র অধিকার পরিষদের ইফতার মাহফিলে ছাত্রনেতাদের মিলনমেলা

আজ বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ আয়োজিত “ছাত্র রাজনীতির সংকট ও আগামীর বাংলাদেশ ” শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের আহবায়ক কর্নেল অবঃ মিয়া মশিউজ্জামান। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গণঅধিকার পরিষদের আহবায়ক কর্নেল অবঃ মিয়া মশিউজ্জামান বলেনঃ বাংলাদেশের স্বাধীনতা আজ হুমকির মুখে। এ থেকে দেশকে মুক্ত করতে হলে ভারতীয় আগ্রাসন থেকে আগে মুক্ত হতে হবে৷ সেই লক্ষ্যেই আমরা এই ঈদে ভারতীয় পন্য বর্জন করে দেশীয় পন্য ব্যবহারের আহবান জানাই।”

প্রধান বক্তা ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেনঃ মিডিয়া নিয়ন্ত্রিত বিধায় ছাত্রলীগের সব অপকর্ম প্রকাশিত হয় না। বুয়েট সহ দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে ছাত্রলীগ। ছাত্রলীগের অপকর্মের দায় আমরা সকল ছাত্র সংগঠন নিবো না।”

সভাপতির বক্তব্যে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মোল্যা রহমাতুল্লাহ্ বলেন,”বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির সংকটের প্রধান কারন ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ থাকা, যার প্রভাবেই জাতীয় রাজনীতিতে অচল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ছাত্রদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণকারীদের প্রতিহত করতে হবে প্রতিটি ক্যাম্পাসে। ছাত্র সংগঠন গুলোর ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এই সংকট দূর করতে হবে। বক্তব্যের শেষে তিনি বলেন, বিশ্ব মানবতার শত্রু ইসরাইল যেভাবে ফিলিস্তিনি নিরস্ত্র মানুষকে হত্যা করছে, আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি এবং একই সাথে এদেশীয় চিহ্নিত মোসাদ এজেন্টদেরকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব মুনতাসির মাহমুদ বলেন, “বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ একটি উদার ছাত্র রাজনৈতিক সংগঠন। ডান-বাম বা মতবাদের ভিন্নতা স্বত্বেও আমরা চাই বাংলাদেশের সব ছাত্র সংগঠন দেশের স্বার্থে এক থাকুক। ভারতের মানুষের সাথে আমাদের কোন বিরোধ নাই কিন্ত ভারত যেভাবে সীমান্তে নাগরিক হত্যা করে, বন্ধু রাষ্ট্র বলে আমাদেরকে নিষ্পেষণ করে, সেটা পৃথিবীর কোন বন্ধু রাষ্ট্র করতে পারে না।”

অন্যান্য ছাত্রনেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ইসলামি ছাত্র আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মুনতাসীর আহমেদ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের আহ্বায়ক আহম্মেদ ইসহাক, নাগরিক ছাত্র ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, জাতীয়তাবাদী গনতান্ত্রিক ছাত্র আন্দোলনের সাধারণ সম্পাদক শেখ ফরিদ, বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র শিবিরের কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আজিজুর রহমান আজাদ, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ এর সভাপতি নিজাম উদ্দিন আল আদনান, বাংলাদেশ ছাত্র পক্ষের আহ্বায়ক মুহাম্মদ প্রিন্স, বাংলাদেশ ইসলামি ছাত্র মজলিসের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান জাকারিয়া, ছাত্র জমিয়ত বাংলাদেশ এর সাধারণ সম্পাদক খালেদ মাহমুদ, ছাত্র ফোরাম এর আহ্বায়ক সানজিদ রহমান শুভ, বাংলাদেশ ছাত্র মিশন এর সভাপতি সৈয়দ মোঃ মিলন, বাংলাদেশ মুসলিম ছাত্রলীগ এর সাধারণ সম্পাদক কাউসার আহমেদ আজাদ। এছাড়াও সাবেক ছাত্রনেতা গণঅধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ফারুক হাসান, যুগ্ম সদস্য সচিব মোঃ আতাউল্লাহ, যুগ্ম সদস্য সচিব তারেক রহমান, বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ এর কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক আহ্বায়ক আরিফুল দাঁড়িয়া, নায়েক নূর মোহাম্মাদ, তন্ময় তাহের, যুগ্ম সদস্য সচিব তুহিন আহমদে, মাহমুদুল হাসান রাফি, তাহমিদ হাসান, খলিল শেখ, অপূর্ব ফারাইন অপু, কারা নির্যাতিত ছাত্রনেতা মোহাম্মদ সজল মিঞা, ছাত্রনেতা ইয়াছিন আরাফাত প্রমুখ।